×

Error

Cannot get "Dhaka" woeid in module "mod_sp_weather".

Cannot retrive forecast data in module "mod_sp_weather".

আগামী বিশ্ব ইজতেমা শুরু ১৩ জানুয়ারি

আগামী বিশ্ব ইজতেমা শুরু ১৩ জানুয়ারি

রাজউকের পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পের প্লটের দলিলের হুবহু নকল তুলতে সরকারি ফি ৩৫০ টাকা। তবে সাধারণ লোকের কাছ থেকে এ জন্য আট হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিশেষ পরিচয় দিলে খরচ কিছু কমে। এটাই এখন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। না হলে দলিলের সত্যায়িত অনুলিপি যা দলিলের নকল বলে পরিচিত (সার্টিফায়েড কপি) পাওয়া যায় না।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্পের প্লটের রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে প্লট পাওয়া লোকদের দলিলের নকল তুলতে এই বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার কাছে অবস্থিত সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ঘণ্টা দুয়েক থেকে এমন দৃশ্যই দেখা যায়। রেজিস্ট্রি করতে আসা ব্যক্তিরা ঝামেলা এড়াতে বাড়তি টাকা গুনেই কাজ সারছেন।
ঢুকতেই দেখা গেল পূর্বাচল প্রকল্পের বিভিন্ন সেক্টরের প্লটের রেজিস্ট্রেশন ছাড়াও প্লট হস্তান্তরের জন্য এখানে প্রচুর মানুষের ভিড়। প্রবেশপথে সিঁড়িতে রয়েছে দালাল আর ফড়িয়াদের চক্র। তাদের একজন এই প্রতিবেদকের কানের কাছে ফিসফিস করে বললেন, ‘কোন সেক্টরে, কত কাঠার প্লট? অল্প খরচে রেজিস্ট্রি কইরা দিমুনে।’
খানিক পরে আরেকজন এসে বললেন, ‘প্লট বিক্রি করবেননি, ভালো দাম পাইবেন। আর যদি কিনেন, তাইলে কর্নার প্লট থেকে শুরু করে ৩০০ ফুট রাস্তার লগের আর লেকের পাড়ের প্লটও আছে।’
কার্যালয়ের কক্ষের ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, এখানে-ওখানে বসে-দাঁড়িয়ে বহু লোক। কারা ওই কার্যালয়ের আর কারা বহিরাগত, বোঝার উপায় নেই।
এক ব্যক্তিকে দেখা গেল, রেজিস্ট্রি করতে আসা বরাদ্দপ্রাপ্তদের বালাম বইয়ে টিপসই দেওয়াচ্ছেন আর সরাসরি টাকা চাইছেন। আরেক টেবিলে বসা ব্যক্তি বরাদ্দপ্রাপ্তদের দলিলের নকলের জন্য আগাম ‘ফি’ চাইছেন আট হাজার টাকা। এক বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তি বলেন, ‘কিছু কম নেওয়া যায় না?’
ওই ব্যক্তি জবাব দেন, ‘কম হবে না। টাকা না দিলে রসিদ পাবেন না, আর রসিদ না পেলে দলিল পাবেন না। তা ছাড়া স্যার আমাদের কাছে পরে হিসাব চাইবেন।’
এ সময়ে এক ব্যক্তি এক সাংসদের পরিচয় দিলে তাঁর কাছ থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা নেওয়া হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দলিলের নকলের জন্য সরকার-নির্ধারিত ‘ফি’ ৩৫০ টাকা। বরাদ্দ পাওয়া প্লট সন্তান বা নিকটাত্মীয়ের কাছে হস্তান্তরের জন্যও নকলের ফি বাবদ আট থেকে দশ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এখানেও সরকারি ফি ৩৫০ টাকা।
এক ব্যক্তি আগেই রেজিস্ট্রি করেছেন, গতকাল এসেছেন আত্মীয়ের প্লটের জন্য। এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ছয় মাস আগে তিনি আট হাজার টাকা দিয়েই তাঁর প্লট রেজিস্ট্রির নকল দলিল তুলেছেন। এবারও আট হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, নইলে মূল দলিল পেতে সমস্যায় পড়তে পারেন।
জানতে চাইলে সাব-রেজিস্ট্রার আলী আহমেদ বলেন, ‘এ ধরনের কোনো বিষয় আমার নলেজে নেই।’ তিনি আট হাজার টাকার হিসাব চাইবেন, কার্যালয়ের লোকেরা এ রকম বলেছেন—এ কথা বললে তিনি বলেন, ‘এ রকম হতেই পারে না।’
হুবহু নকলের কপি নিতে সরকারি ফি ৩৫০ টাকার স্থলে আট হাজার টাকা দিতে হয়—এ কথা বলার পর তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, প্রমাণ পেলে অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

000

About Author

2 Responses Found

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.

সম্পাদকঃ মীর আফরোজ জামান

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৪৯ সোনারগাঁও জনপথ, সেক্টরঃ ৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ।
ফোনঃ +৮৮-০২-৮৯৬৩৭৪৯, ফ্যাক্সঃ+৮৮-০২-৮৯৬৩৭৪৯
মোবাইলঃ ০১৭১৫৮১৯৩১৬
ইমেইল - banglarbanipratidin@gmail.com