×

Error

Cannot get "Dhaka" woeid in module "mod_sp_weather".

Cannot retrive forecast data in module "mod_sp_weather".

আলাদা ভ্যানিটি ভ্যানে রণবীর-ক্যাট

আলাদা ভ্যানিটি ভ্যানে রণবীর-ক্যাট

এ কদিন তো ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক নিয়েই বেরিয়েছে সব খবর। রণবীর কাপুর আর ক্যাটরিনা কাইফের প্রেম শেষপর্যন্ত গড়াল না বিয়ে পর্যন্ত। নানা গুজব, নানা সংবাদে পূর্ণ ছিল এ কদিনের পত্রিকা আর অনলাইনের বিনোদন বিভাগ। রণবীর-ক্যাটরিনা অনুরাগ বসুর জগ্গা জাসুস ছবির সহশিল্পী। সম্পর্কের ভাঙা-গড়ার মাঝেই তাদের শুটিং করতে হলো এ ছবিতে।
এর আগে শুটিংয়ের সময় একই ভ্যানিটি ভ্যান ভাগ করে নিতেন রণবীর-ক্যাট। কিন্তু এত সব দুঃসংবাদের পর তারা শুটিংয়ের সময় আলাদা ভ্যানিটি ভ্যান ব্যবহার করেছেন। শুটিংদলের এক সূত্র মুম্বাই মিররকে জানিয়েছে, ১৮ জানুয়ারি সকাল আটটায় ক্যাটরিনা আলাদা একটি ভ্যানিটি ভ্যানের দিকে এগিয়ে যান।
রণবীর আলাদাভাবে তাঁর দৃশ্যগুলোতে অভিনয় করেন। একটি দৃশ্য ছিল দুজনের একসঙ্গে। সে দৃশ্য তাঁরা করেছেন বটে, কিন্তু শুটিং ছাড়া আর কোনো কথাবার্তাই হয়নি তাঁদের মধ্যে।
এই ছবিটির শুটিং চলছিল জানুয়ারির শুরুতেই। ৮ জানুয়ারি ক্যাটরিনা মুম্বাই থেকে খানিক দূরের এক স্টুডিওতে সালমান খানের সঙ্গে দেখা করেন। কথা বলেন। রণবীর এ সময় ছবির শুটিং চালিয়ে যান। ১৮ জানুয়ারি রণবীর আর ক্যাটরিনা আলাদা আলাদা আসেন। তাঁরা একে অন্যের দিকে তাকাননি পর্যন্ত। টাইমস অব ইন্ডিয়া

000

Media

About Author

Related items

  • যুব উন্নয়নে ১৫৫ চাকরি

    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অস্থায়ী ভিত্তিতে দুটি পদে ১৫৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক: এ পদটিতে নেওয়া হবে ৫৮ জনকে। আবেদনকারীর বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ বছর হতে হবে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এইচএসসি পাস হতে হবে। কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষিত হতে হবে এবং কম্পিউটার টাইপ স্পিড বাংলা ও ইংরেজিতে মিনিটে ২০ শব্দ থাকতে হবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ২০০৯ সালের বেতন স্কেলের ১৬ গ্রেড অনুযায়ী।

    কমিউনিটি সুপারভাইজার: এ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে ৯৭ জনকে। আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এসএসসি পাস এবং বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ বছর হতে হবে। পদটিতে বেতন দেওয়া হবে ২০০৯ সালের বেতন স্কেলের ১৮ গ্রেড অনুযায়ী।

    আবেদনের পদ্ধতি: আবেদনপত্র ও লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dyd.gov.bd) পাওয়া যাবে। ডাউনলোডকৃত আবেদনপত্র ও দুই কপি প্রবেশপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে ২১ জানুয়ারির মধ্যে ‘প্রকল্প পরিচালক, ইমপ্যাক্ট (ফেজ-২) প্রকল্প, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ভবন, ১০৮ মতিঝিল, বা/এ, ঢাকা-১০০০’ বরাবর পাঠাতে হবে। আবেদন ফরমের নির্ধারিত স্থানে এক কপি ছবি ও প্রবেশপত্রের নির্ধারিত স্থানে এক কপি করে ছবি আঠা দিয়ে লাগিয়ে পাঠাতে হবে। এ ছাড়া অতিরিক্ত দুই কপি ছবি প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। বিস্তারিত জানা যাবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের 

  • নদী থেকে পাথর তোলা

    সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার রাংপানি নদীর উৎসমুখে পাথর তোলার অবৈধ কর্মযজ্ঞ কী বেপরোয়া মাত্রা অর্জন করেছে, মঙ্গলবারের প্রথম আলোয় প্রকাশিত একটি সচিত্র প্রতিবেদন থেকে তার কিছু ধারণা পাওয়া যায়। শুধু এই নদী থেকে নয়, জাফলংয়ের পিয়াইন নদ ও ডাউকি নদী থেকেও প্রতিবছর শুকনো মৌসুমে পাথর তোলা হয়। এগুলো পরিবেশবিধ্বংসী কাজ। প্রথমত, উজান থেকে নেমে আসা এসব পাথরখণ্ড নদ-নদীগুলোর বাস্তুতন্ত্রের অন্যতম অংশ। এগুলো সরিয়ে নিলে নদীর দুই পাড়ে ভূমিক্ষয় ও ভাঙন সৃষ্টিসহ নানা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দ্বিতীয়ত, পাথর তোলার জন্য নদীতে বাঁধ দিয়ে স্বাভাবিক জলপ্রবাহ রুদ্ধ করা, পাথর পরিবহনের জন্য নদীবক্ষে রাস্তা বানানো—এ সবকিছুই নদীর জন্য বিপর্যয়কর।
    পাথর লুটেরাদের খপ্পরে পড়ে বিবর্ণ রাংপানি নদীআর যেহেতু পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী এসব কর্মকাণ্ড দণ্ডযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ, সেহেতু এসব কাউকে করতে দেওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু বিস্ময়কর তথ্য হলো, জৈন্তাপুরের উপজেলা প্রশাসন, ‘খাস কালেকশন’ বা তাৎক্ষণিক খাজনা আদায়ের মৌখিক শর্ত জুড়ে দিয়ে রাংপানি নদীর উৎসমুখে পাথর তোলার বেআইনি কর্মযজ্ঞকে কার্যত বৈধতা দিয়েছে। সরকারি প্রশাসন কী করে এমন অবৈধ সিদ্ধান্ত নিতে পারল, তা আমাদের বোধগম্য নয়।
    যে ধরনের অপরাধের দায়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার আইন আছে, জৈন্তাপুরের স্থানীয় প্রশাসনের নাকের ডগায় তা চলছে। এর কারণ কি এই যে রাংপানি নদী থেকে পাথর তোলার এই মচ্ছবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক?
    সংরক্ষণের জন্য এ দেশে যথেষ্ট কঠোর আইন ও বিধিবিধান থাকা সত্ত্বেও সারা দেশে নদী-নালা-খাল-বিল ধ্বংসের তৎপরতা বন্ধ হচ্ছে না আইনের যথার্থ প্রয়োগের অভাবের কারণে। রাজনৈতিক ও আর্থিক প্রভাব অগ্রাহ্য করে পাথর-লুটেরাসহ দেশের অন্যত্র এ ধরনের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে।
    রাংপানি নদীর পাথর তোলা এই মুহূর্তে বন্ধ করুন।

  • স্বাস্থ্যসেবায় দৈত্য!

    অ্যাবিউজ অব অ্যান্টিবায়োটিক ইন চিলড্রেন’ শীর্ষক একটি সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারলাম, অনেক শিশুকেই অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে অপ্রয়োজনে। অ্যান্টিবায়োটিক এমন একটি ওষুধ, যা যেমন জীবন রক্ষাকারী, তেমনি ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকরও। ফলে এটি ব্যবহারে অনেক সতর্ক থাকা উচিত।
    কিন্তু দ্রুত রোগ না সারলে রোগী অন্য কারও কাছে চলে যেতে পারে—এ জন্য নাকি চিকিৎসকেরা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকেন। তবে ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে, ওষুধ কোম্পানির চাপে পড়ে নাকি যথেচ্ছ ‘চিকিৎসা’ দেওয়া হচ্ছে!
    অ্যান্টিবায়োটিকের কিন্তু ‘জেনারেশন’ বা ‘প্রজন্ম’ রয়েছে। প্রতিটি প্রজন্ম তার পূর্ববর্তী প্রজন্ম থেকে শক্তিশালী ও কার্যকরী (এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে দামি) হয়ে থাকে। একটি সাধারণ ঠান্ডা কাশির বাচ্চাকে যেখানে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া দরকার ছিল না, কিংবা হয়তো ৫০ টাকা মূল্যের প্রথম প্রজন্মের অ্যান্টিবায়োটিক দিলেই হয়ে যেত, সেখানে যদি কোম্পানির চাপে পড়ে ২০০ টাকার সর্বশেষ প্রজন্মের ওষুধ দেওয়া হয়, তাহলে তাকে কী বলা যাবে?
    দ্বিতীয় ব্যাপার হচ্ছে, কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি অলিখিত মানগত শ্রেণিবিভাগ আছে। কোনো কোম্পানি এটা স্বীকার না করলেও আমি দেখেছি, প্রথম ১৫ কিংবা ১৬ মানের কোনো কোম্পানির কর্মরত কর্মকর্তারা নিজের বাচ্চাকে নিজের কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক না দিয়ে তথাকথিত প্রথম দিককার কোম্পানির ওষুধ দিচ্ছেন।
    এসব কারণে দেশে অ্যান্টিবায়োটিক নীতিমালা খুবই দরকার। আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো তাদের বিশ্বমানের ওষুধ দিয়ে সারা বিশ্বে সুনাম ও আস্থা অর্জন করেছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি দেশীয় কোম্পানির ওষুধ নিয়ে গর্ববোধ করি। তারাও আমাদের সঙ্গে থাকবে, চিকিৎসাসেবায় অবদান রাখবে। কোনো দৈত্য হয়ে ঘাড়ে না চেপে পাশাপাশি এগিয়ে যাবে, এটিই কাম্য।

2 Responses Found

  • Comment Link
    Augustina Saturday, 25 February 2017 22:17

    Magnificent goods from you, man. I have understand your stuff previous to and
    you are just too excellent. I actually like
    what you've acquired here, really like what you're stating and the
    way in which you say it. You make it enjoyable
    and you still take care of to keep it sensible.
    I can't wait to read far more from you. This is really a tremendous web site.

  • Comment Link
    Scott Saturday, 25 February 2017 11:23

    Hi there! I know this is kind of off-topic but I had to ask.
    Does building a well-established website like yours require a massive amount work?
    I'm completely new to blogging however I do write in my journal daily.
    I'd like to start a blog so I will be able to share my experience and views online.
    Please let me know if you have any ideas or tips for new
    aspiring blog owners. Appreciate it!

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.

সম্পাদকঃ মীর আফরোজ জামান

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৪৯ সোনারগাঁও জনপথ, সেক্টরঃ ৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ।
ফোনঃ +৮৮-০২-৮৯৬৩৭৪৯, ফ্যাক্সঃ+৮৮-০২-৮৯৬৩৭৪৯
মোবাইলঃ ০১৭১৫৮১৯৩১৬
ইমেইল - banglarbanipratidin@gmail.com