×

Error

Cannot get "Dhaka" woeid in module "mod_sp_weather".

Cannot retrive forecast data in module "mod_sp_weather".

জ্বালানি তেলের দাম ১৩ বছরে সর্বনিম্ন

জ্বালানি তেলের দাম ১৩ বছরে সর্বনিম্ন

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ২৮ মার্কিন ডলারের নিচে নেমেছে। এবার অবশ্য ‘ইরান আতঙ্কে’ দাম কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব ইরানের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ায় দেশটি প্রচুর পরিমাণে তেল রপ্তানি করতে পারে—এমন আশঙ্কায় পণ্যটির দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এমনিতেই বিশ্ববাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে অনেক দিন ধরেই তেলের দাম কমছে। এই অবস্থায় ইরানও রপ্তানি শুরু করলে দাম আরও পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা জোরালো হয়ে উঠেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে গতকাল সোমবার জ্বালানি তেলের প্রধান ব্র্যান্ড ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কমে একপর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ২৭ ডলার ৬৭ সেন্টে নেমে যায়। পরে অবশ্য তা কিঞ্চিৎ বেড়ে ২৮ ডলার ১৭ সেন্টে উঠেছে। ২০০৩ সাল-পরবর্তী ১৩ বছরে জ্বালানি তেলের দাম আর এতটা নিচে নামেনি।
অন্যদিকে ইউএস ক্রুড অয়েলের দামও কমে প্রতি ব্যারেল ২৮ ডলার ৮৬ সেন্টে নেমেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এখনই রপ্তানি করার মতো পর্যাপ্ত তেল আছে ইরানের হাতে।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনের পাশাপাশি উন্নত অঞ্চল ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেক দিন ধরেই হ্রাস পাচ্ছে কিংবা শ্লথ হয়ে পড়েছে। যে কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা যেমন কমছে তেমনি দামও ক্রমাগত পড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে সরবরাহ দিনদিন বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শেল অয়েল সরবরাহের বন্যা বইয়ে দেওয়ায় এবং সৌদি আরব ও রাশিয়াসহ তেলনির্ভর দেশগুলো তাদের রাজস্ব আয় ধরে রাখতে সরবরাহ বৃদ্ধি করায় পণ্যটির দাম তলানির দিকেই ধাবিত হচ্ছে।
ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে, দাম কমলে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক (অর্গানাইজেশন অব পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ) উত্তোলন কমিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিত। কিন্তু এবার ওপেকের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য সৌদি আরবের নেতৃত্বে অন্য সদস্যরা সরবরাহ না কমানোর সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছে।এইচএসবিসির প্রধান নির্বাহী স্টুয়ার্ট গালিভার মনে করেন, আগামী এক বছরে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২৫ থেকে ৪০ ডলারের মধ্যেই ওঠানামা করবে। হংকংয়ে এশিয়া ফিন্যান্সিয়াল ফোরামে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন, ‘তেল উত্তোলনকারী প্রধান দেশগুলো বর্তমানে বিশ্ববাজারে দৈনিক ২০ থেকে ২৫ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ করছে, যা চাহিদার চেয়ে বেশি। এখন প্রশ্ন হলো, তারা এভাবে আর কত দিন অতিরিক্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করে যেতে পারবে?’
এদিকে ইরান রোববার বলেছে, তারা দৈনিক ৫ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করতে প্রস্তুত। ইরানের এই বক্তব্যকে অবশ্য বিশ্লেষকেরা বাস্তবসম্মত নয় বলে আখ্যায়িত করেছেন।

000

About Author

Related items

  • আলাদা ভ্যানিটি ভ্যানে রণবীর-ক্যাট

    এ কদিন তো ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক নিয়েই বেরিয়েছে সব খবর। রণবীর কাপুর আর ক্যাটরিনা কাইফের প্রেম শেষপর্যন্ত গড়াল না বিয়ে পর্যন্ত। নানা গুজব, নানা সংবাদে পূর্ণ ছিল এ কদিনের পত্রিকা আর অনলাইনের বিনোদন বিভাগ। রণবীর-ক্যাটরিনা অনুরাগ বসুর জগ্গা জাসুস ছবির সহশিল্পী। সম্পর্কের ভাঙা-গড়ার মাঝেই তাদের শুটিং করতে হলো এ ছবিতে।
    এর আগে শুটিংয়ের সময় একই ভ্যানিটি ভ্যান ভাগ করে নিতেন রণবীর-ক্যাট। কিন্তু এত সব দুঃসংবাদের পর তারা শুটিংয়ের সময় আলাদা ভ্যানিটি ভ্যান ব্যবহার করেছেন। শুটিংদলের এক সূত্র মুম্বাই মিররকে জানিয়েছে, ১৮ জানুয়ারি সকাল আটটায় ক্যাটরিনা আলাদা একটি ভ্যানিটি ভ্যানের দিকে এগিয়ে যান।
    রণবীর আলাদাভাবে তাঁর দৃশ্যগুলোতে অভিনয় করেন। একটি দৃশ্য ছিল দুজনের একসঙ্গে। সে দৃশ্য তাঁরা করেছেন বটে, কিন্তু শুটিং ছাড়া আর কোনো কথাবার্তাই হয়নি তাঁদের মধ্যে।
    এই ছবিটির শুটিং চলছিল জানুয়ারির শুরুতেই। ৮ জানুয়ারি ক্যাটরিনা মুম্বাই থেকে খানিক দূরের এক স্টুডিওতে সালমান খানের সঙ্গে দেখা করেন। কথা বলেন। রণবীর এ সময় ছবির শুটিং চালিয়ে যান। ১৮ জানুয়ারি রণবীর আর ক্যাটরিনা আলাদা আলাদা আসেন। তাঁরা একে অন্যের দিকে তাকাননি পর্যন্ত। টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • স্বাস্থ্যসেবায় দৈত্য!

    অ্যাবিউজ অব অ্যান্টিবায়োটিক ইন চিলড্রেন’ শীর্ষক একটি সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারলাম, অনেক শিশুকেই অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে অপ্রয়োজনে। অ্যান্টিবায়োটিক এমন একটি ওষুধ, যা যেমন জীবন রক্ষাকারী, তেমনি ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকরও। ফলে এটি ব্যবহারে অনেক সতর্ক থাকা উচিত।
    কিন্তু দ্রুত রোগ না সারলে রোগী অন্য কারও কাছে চলে যেতে পারে—এ জন্য নাকি চিকিৎসকেরা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকেন। তবে ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে, ওষুধ কোম্পানির চাপে পড়ে নাকি যথেচ্ছ ‘চিকিৎসা’ দেওয়া হচ্ছে!
    অ্যান্টিবায়োটিকের কিন্তু ‘জেনারেশন’ বা ‘প্রজন্ম’ রয়েছে। প্রতিটি প্রজন্ম তার পূর্ববর্তী প্রজন্ম থেকে শক্তিশালী ও কার্যকরী (এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে দামি) হয়ে থাকে। একটি সাধারণ ঠান্ডা কাশির বাচ্চাকে যেখানে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া দরকার ছিল না, কিংবা হয়তো ৫০ টাকা মূল্যের প্রথম প্রজন্মের অ্যান্টিবায়োটিক দিলেই হয়ে যেত, সেখানে যদি কোম্পানির চাপে পড়ে ২০০ টাকার সর্বশেষ প্রজন্মের ওষুধ দেওয়া হয়, তাহলে তাকে কী বলা যাবে?
    দ্বিতীয় ব্যাপার হচ্ছে, কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি অলিখিত মানগত শ্রেণিবিভাগ আছে। কোনো কোম্পানি এটা স্বীকার না করলেও আমি দেখেছি, প্রথম ১৫ কিংবা ১৬ মানের কোনো কোম্পানির কর্মরত কর্মকর্তারা নিজের বাচ্চাকে নিজের কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক না দিয়ে তথাকথিত প্রথম দিককার কোম্পানির ওষুধ দিচ্ছেন।
    এসব কারণে দেশে অ্যান্টিবায়োটিক নীতিমালা খুবই দরকার। আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো তাদের বিশ্বমানের ওষুধ দিয়ে সারা বিশ্বে সুনাম ও আস্থা অর্জন করেছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি দেশীয় কোম্পানির ওষুধ নিয়ে গর্ববোধ করি। তারাও আমাদের সঙ্গে থাকবে, চিকিৎসাসেবায় অবদান রাখবে। কোনো দৈত্য হয়ে ঘাড়ে না চেপে পাশাপাশি এগিয়ে যাবে, এটিই কাম্য।

  • বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে পোষা বিড়ালছানা হত্যা

    রাজশাহী : সদ্য বহিষ্কৃত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা একের এক ফেসবুক স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। এবার মিজানুর রহমান রানার ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানালেন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি এক স্ট্যাটাসে লেখেন।

    ‘আমার অপরাধ ছিল, আমার শাস্তি হয়েছে। আমার রুম লুটপাট করা হয়েছে, সেটাও মেনে নিলাম। কিন্তু আমার ছোট্ট বিড়ালছানাগুলো কী অপরাধ করেছিল। তাদের মা ছিল না। জবাই করে রাখলি?’ আক্ষেপ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি মিজানুর রহমান রানা।

    তার অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলে যাওয়ার পর প্রতিপক্ষরা তাকে না পেয়ে তার পোষা বিড়ালের বাচ্চাগুলোকে হত্যা করেছে।

    এর আগে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গত ১৬ জানুয়ারি রাত ৯টায় মিজানুর রহমান রানাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন। ওই রাতেই রানা ও তার অনুসারীরা হল ত্যাগ করেন। হল ত্যাগ করার পরপরই প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীরা রুমের তালা ভেঙে কিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করে বলে হল সূত্রে জানা যায়। পরদিন সকালে হল প্রাধ্যক্ষ ভাঙচুর করা কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন।

    রাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। জাকির হোসেন তমাল নামে এক শিক্ষার্থী তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানা তার বঙ্গবন্ধু হলের রুমে কয়েকটি বিড়ালের বাচ্চা পুষতেন। মা হারা এই বিড়াল ছানাদের তিনি নিয়মিত দুধ খাওয়াতেন। তাদের দেখাশোনা করতেন।

    গত ১৬ জানুয়ারি সভাপতির পদ হারাবার পর তিনি নিজের সমর্থকদের সাথে নিয়ে ওইদিন রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেন। কিন্তু যাবার সময় কর্মীদের সাথে নিয়ে গেলেও বিড়ালের বাচ্চাগুলোকে সাথে নিতে পারেননি। বাচ্চাগুলো তার রুমের সামনেই ছিল। রানার অনুপস্থিতিতে তার নিজ দলের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রতিশোধ নিতে তার রুমে হামলা চালায় এবং গতকাল রানাকে না পেয়ে তার পরম মমতায় বেড়ে ওঠা বিড়ালের বাচ্চাগুলোকে জবাই করে (গলা কেটে) মেরে ফেলে!!!

    রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মিজানুর রহমান রানার ব্যক্তিগত দোষ থাকতে পারে, রাজনৈতিক ভুল থাকতে পারে; তার জন্যে তিনি নিজের পদও হারিয়েছেন। তার ওপরে অনেকের রাজনৈতিক আক্রোশ থাকতে পারে, ব্যক্তিগত রাগ থাকতে পারে; তাই বলে এভাবে তার পালিত বিড়ালছানাগুলোকে মেরে ফেলতে হবে? এ কেমন প্রতিহিংসা? এ কেমন জিঘাংসা?’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী জাহিদুর রহমান ‘এ কেমন প্রতিহিংসা?’ শিরোনামে এ স্ট্যাটাসটি পোস্ট করেছেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এ বিষয়ে নিন্দা জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন এটা শুধুই রাজনীতি। কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘রাজনীতিতে পক্ষ-বিপক্ষ থাকবে। কিন্তু শত্রুতা করে নিরীহ প্রাণীকে মেরে ফেলতে হবে ? এটা কোনো বিবেকবান মানুষের কাজ হতে পারে না।

    প্রসঙ্গত, গত ১৬ জানুয়ারি বেলা ৩টায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মিজানুর রহমান রানার অনুসারীরা ছাত্রলীগের কর্মী বনিকে রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এ ঘটনার পর রাত ৯টার দিকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানাকে বহিষ্কার করা হয়।

7 Responses Found

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.

সম্পাদকঃ মীর আফরোজ জামান

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৪৯ সোনারগাঁও জনপথ, সেক্টরঃ ৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ।
ফোনঃ +৮৮-০২-৮৯৬৩৭৪৯, ফ্যাক্সঃ+৮৮-০২-৮৯৬৩৭৪৯
মোবাইলঃ ০১৭১৫৮১৯৩১৬
ইমেইল - banglarbanipratidin@gmail.com