×

Error

Cannot get "Dhaka" woeid in module "mod_sp_weather".

Cannot retrive forecast data in module "mod_sp_weather".

‘বাংলাদেশ এখন বিপন্ন হয়ে পড়েছে’

‘বাংলাদেশ এখন বিপন্ন হয়ে পড়েছে’ Featured

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্র নির্বাসিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। গণতন্ত্র উত্তরণের জন্য আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’

গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে ফুল দেওয়া শেষে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।  

মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না, একজন বহুমুখী গুণের অধিকারী ক্ষণজন্মা নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। একজন সৈনিক থেকে একজন আদর্শবান রাজনীতিক ছিলেন। তিনি দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ শুরু করেছিলেন। আজকের দিনে তাকে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

তিনি বলেন, বিএনপির মূল চ্যালেঞ্জ গণতন্ত্র পুনরায় ফিরিয়ে আনা। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনা। জনগণের ভোটের যে অধিকার, বাকস্বাধীনতা, জনগণের সংগঠন করার স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে নিয়ে আসাই বিএনপির বড় কাজ।

জিয়ার কবর সরানো নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘এটা সরকারের বিভিন্ন চালের একটা অংশ। জনগণের মধ্যে এই বক্তব্যটা দিয়ে দেখছে যে প্রতিক্রিয়া কী। আমরা মনে করি, জিয়ার মাজার এখান থেকে সরানো যাবে না। বাংলাদেশের ইতিহাসেও এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় মাজার স্থানান্তরের নজির নেই। ধর্মীয়ভাবে কিংবা রাজনৈতিকভাবে এ ঘটনা কখনো ঘটেনি। সরকারের কাছে বলব, এসব বক্তব্য থেকে দূরে সরে দেশের সংকট মোচনে এগিয়ে যান। সর্বদলীয় একটা কনফারেন্সের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কীভাবে নির্বাচন হবে, সংকট মোচন করা যায়, সেদিকে সচেষ্ট হোন।’

000

About Author

Related items

  • জ্বালানি তেলের দাম ১৩ বছরে সর্বনিম্ন

    আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ২৮ মার্কিন ডলারের নিচে নেমেছে। এবার অবশ্য ‘ইরান আতঙ্কে’ দাম কমেছে।
    যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব ইরানের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ায় দেশটি প্রচুর পরিমাণে তেল রপ্তানি করতে পারে—এমন আশঙ্কায় পণ্যটির দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এমনিতেই বিশ্ববাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে অনেক দিন ধরেই তেলের দাম কমছে। এই অবস্থায় ইরানও রপ্তানি শুরু করলে দাম আরও পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা জোরালো হয়ে উঠেছে।
    আন্তর্জাতিক বাজারে গতকাল সোমবার জ্বালানি তেলের প্রধান ব্র্যান্ড ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কমে একপর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ২৭ ডলার ৬৭ সেন্টে নেমে যায়। পরে অবশ্য তা কিঞ্চিৎ বেড়ে ২৮ ডলার ১৭ সেন্টে উঠেছে। ২০০৩ সাল-পরবর্তী ১৩ বছরে জ্বালানি তেলের দাম আর এতটা নিচে নামেনি।
    অন্যদিকে ইউএস ক্রুড অয়েলের দামও কমে প্রতি ব্যারেল ২৮ ডলার ৮৬ সেন্টে নেমেছে।
    বিশ্লেষকদের মতে, এখনই রপ্তানি করার মতো পর্যাপ্ত তেল আছে ইরানের হাতে।
    বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনের পাশাপাশি উন্নত অঞ্চল ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেক দিন ধরেই হ্রাস পাচ্ছে কিংবা শ্লথ হয়ে পড়েছে। যে কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা যেমন কমছে তেমনি দামও ক্রমাগত পড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে সরবরাহ দিনদিন বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শেল অয়েল সরবরাহের বন্যা বইয়ে দেওয়ায় এবং সৌদি আরব ও রাশিয়াসহ তেলনির্ভর দেশগুলো তাদের রাজস্ব আয় ধরে রাখতে সরবরাহ বৃদ্ধি করায় পণ্যটির দাম তলানির দিকেই ধাবিত হচ্ছে।
    ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে, দাম কমলে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক (অর্গানাইজেশন অব পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ) উত্তোলন কমিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিত। কিন্তু এবার ওপেকের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য সৌদি আরবের নেতৃত্বে অন্য সদস্যরা সরবরাহ না কমানোর সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছে।এইচএসবিসির প্রধান নির্বাহী স্টুয়ার্ট গালিভার মনে করেন, আগামী এক বছরে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২৫ থেকে ৪০ ডলারের মধ্যেই ওঠানামা করবে। হংকংয়ে এশিয়া ফিন্যান্সিয়াল ফোরামে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন, ‘তেল উত্তোলনকারী প্রধান দেশগুলো বর্তমানে বিশ্ববাজারে দৈনিক ২০ থেকে ২৫ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ করছে, যা চাহিদার চেয়ে বেশি। এখন প্রশ্ন হলো, তারা এভাবে আর কত দিন অতিরিক্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করে যেতে পারবে?’
    এদিকে ইরান রোববার বলেছে, তারা দৈনিক ৫ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করতে প্রস্তুত। ইরানের এই বক্তব্যকে অবশ্য বিশ্লেষকেরা বাস্তবসম্মত নয় বলে আখ্যায়িত করেছেন।

  • আলাদা ভ্যানিটি ভ্যানে রণবীর-ক্যাট

    এ কদিন তো ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক নিয়েই বেরিয়েছে সব খবর। রণবীর কাপুর আর ক্যাটরিনা কাইফের প্রেম শেষপর্যন্ত গড়াল না বিয়ে পর্যন্ত। নানা গুজব, নানা সংবাদে পূর্ণ ছিল এ কদিনের পত্রিকা আর অনলাইনের বিনোদন বিভাগ। রণবীর-ক্যাটরিনা অনুরাগ বসুর জগ্গা জাসুস ছবির সহশিল্পী। সম্পর্কের ভাঙা-গড়ার মাঝেই তাদের শুটিং করতে হলো এ ছবিতে।
    এর আগে শুটিংয়ের সময় একই ভ্যানিটি ভ্যান ভাগ করে নিতেন রণবীর-ক্যাট। কিন্তু এত সব দুঃসংবাদের পর তারা শুটিংয়ের সময় আলাদা ভ্যানিটি ভ্যান ব্যবহার করেছেন। শুটিংদলের এক সূত্র মুম্বাই মিররকে জানিয়েছে, ১৮ জানুয়ারি সকাল আটটায় ক্যাটরিনা আলাদা একটি ভ্যানিটি ভ্যানের দিকে এগিয়ে যান।
    রণবীর আলাদাভাবে তাঁর দৃশ্যগুলোতে অভিনয় করেন। একটি দৃশ্য ছিল দুজনের একসঙ্গে। সে দৃশ্য তাঁরা করেছেন বটে, কিন্তু শুটিং ছাড়া আর কোনো কথাবার্তাই হয়নি তাঁদের মধ্যে।
    এই ছবিটির শুটিং চলছিল জানুয়ারির শুরুতেই। ৮ জানুয়ারি ক্যাটরিনা মুম্বাই থেকে খানিক দূরের এক স্টুডিওতে সালমান খানের সঙ্গে দেখা করেন। কথা বলেন। রণবীর এ সময় ছবির শুটিং চালিয়ে যান। ১৮ জানুয়ারি রণবীর আর ক্যাটরিনা আলাদা আলাদা আসেন। তাঁরা একে অন্যের দিকে তাকাননি পর্যন্ত। টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • স্বাস্থ্যসেবায় দৈত্য!

    অ্যাবিউজ অব অ্যান্টিবায়োটিক ইন চিলড্রেন’ শীর্ষক একটি সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারলাম, অনেক শিশুকেই অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে অপ্রয়োজনে। অ্যান্টিবায়োটিক এমন একটি ওষুধ, যা যেমন জীবন রক্ষাকারী, তেমনি ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকরও। ফলে এটি ব্যবহারে অনেক সতর্ক থাকা উচিত।
    কিন্তু দ্রুত রোগ না সারলে রোগী অন্য কারও কাছে চলে যেতে পারে—এ জন্য নাকি চিকিৎসকেরা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকেন। তবে ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে, ওষুধ কোম্পানির চাপে পড়ে নাকি যথেচ্ছ ‘চিকিৎসা’ দেওয়া হচ্ছে!
    অ্যান্টিবায়োটিকের কিন্তু ‘জেনারেশন’ বা ‘প্রজন্ম’ রয়েছে। প্রতিটি প্রজন্ম তার পূর্ববর্তী প্রজন্ম থেকে শক্তিশালী ও কার্যকরী (এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে দামি) হয়ে থাকে। একটি সাধারণ ঠান্ডা কাশির বাচ্চাকে যেখানে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া দরকার ছিল না, কিংবা হয়তো ৫০ টাকা মূল্যের প্রথম প্রজন্মের অ্যান্টিবায়োটিক দিলেই হয়ে যেত, সেখানে যদি কোম্পানির চাপে পড়ে ২০০ টাকার সর্বশেষ প্রজন্মের ওষুধ দেওয়া হয়, তাহলে তাকে কী বলা যাবে?
    দ্বিতীয় ব্যাপার হচ্ছে, কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি অলিখিত মানগত শ্রেণিবিভাগ আছে। কোনো কোম্পানি এটা স্বীকার না করলেও আমি দেখেছি, প্রথম ১৫ কিংবা ১৬ মানের কোনো কোম্পানির কর্মরত কর্মকর্তারা নিজের বাচ্চাকে নিজের কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক না দিয়ে তথাকথিত প্রথম দিককার কোম্পানির ওষুধ দিচ্ছেন।
    এসব কারণে দেশে অ্যান্টিবায়োটিক নীতিমালা খুবই দরকার। আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো তাদের বিশ্বমানের ওষুধ দিয়ে সারা বিশ্বে সুনাম ও আস্থা অর্জন করেছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি দেশীয় কোম্পানির ওষুধ নিয়ে গর্ববোধ করি। তারাও আমাদের সঙ্গে থাকবে, চিকিৎসাসেবায় অবদান রাখবে। কোনো দৈত্য হয়ে ঘাড়ে না চেপে পাশাপাশি এগিয়ে যাবে, এটিই কাম্য।

55 Responses Found

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.

সম্পাদকঃ মীর আফরোজ জামান

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৪৯ সোনারগাঁও জনপথ, সেক্টরঃ ৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ।
ফোনঃ +৮৮-০২-৮৯৬৩৭৪৯, ফ্যাক্সঃ+৮৮-০২-৮৯৬৩৭৪৯
মোবাইলঃ ০১৭১৫৮১৯৩১৬
ইমেইল - banglarbanipratidin@gmail.com